আমি যদি বলি এই দুনিয়াতে সবচেয়ে ভালো ফোন কোনটা? বা যদি বলি আপনার কাছে সবচেয়ে প্রিমিয়াম ব্রান্ডের ফোন কোনটাকে মনে হয়? তখন হয়তো সবার প্রথমে iPhone এর কথা মাথায় আসবে। তাই না?

আরেকটা উদাহরণ দেওয়া যাক, আমি যদি বলি সবচেয়ে দামি মাইক্রোসফট এর জনক কে? তখন হয়তো মাইক্রোসফট বলার সাথে সাথেই মাথায় চলে আসবে

Bill Gates এর কথা।

আমারা এইখানে দুইটা গল্প দেখলাম, দুইটা গল্পের ইতিহাস হয়তো ভিন্ন কিন্তু উদ্দেশ্য একটাই। সেটা হল Customer এর মনে জায়গা করে নেওয়া। একেই বলে BRANDING। কিন্তু আমরা যখন Business করার কথা ভাবি তখন Branding না করেই Business করার চিন্তা করি। আর এখানেই ৯৯% Businessman ভুল করে বসে।

আসেন আরও কিছুক্ষণ গল্প করা যাক। ধরেন আপনার Organic Food এর Business আছে। কিন্তু Honey nuts খেতে চাইলেই কেন আমাদের Ghorer Bazar এর কথা মনে পড়ে? আপনি যেই পণ্য নিয়ে বিজনেস করতেসেন, Ghorer Bazar ওই একই পণ্য নিয়ে বিজনেস করতেসে। তাইলে আপনের নাম না এসে Ghorer Bazar এর নাম আসে কেন?

এইটার একটাই কারণ সেটা হল, (Branding)। Branding করার সুবিধা হল আপনার বিজনেস যদি কোন কারনে শেষ হয়ে, তাও আপনার খুব বেশি ক্ষতি হবে না কারণ আপনার একটা ব্রান্ড আছে। Branding হল একটা বিজনেসের চরিত্র। যেমন ধরেন অ্যাপেল সবসময় Innovation এর কথা বলে, Nike সবসময় আত্মবিশ্বাসের কথা বলে আমাদের সবার কাছে। এগুলাই হল Branding। বিজনেস বলে ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারলেই খেলা শেষ, যেখানে Branding বলে ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারলে খেলা শুরু এবং তখন থেকেই Business Grow করা শুরু হয়।

Branding ছাড়া বিজনেস করা একটা শর্ট টার্ম পদ্ধতি। আর Branding এর মাধ্যমে আপনি যেই সকল সুবিধা পাবেন, সেটা আপনি শুধু বিজনেস করলে পাবেন না।

সবশেষে একটা কথাই বলব যারা বিজনেস করার কথা মাথায় এনেছেন, তারা আগে Brand করার কথা মাথায় আনুন। Customer perception এর কথা চিন্তা করুন, তারা কি ভাবছে সেটা নিয়ে research করুন। Brand একবার হয়ে গেলে আর পিছনে তাকাতে হবে না।

  • আপনি যে এই পর্যন্ত সময় দিয়েছেন তাঁর জন্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

0

Subtotal